পরিসংখ্যান (Statistics)

তথ্য ও উপাত্ত(Data & Information)

আমরা বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য পেয়ে থাকি।ইন্টারনেটের কারণে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন- ফেসবুক ,ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি ,বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া,বিভিন্ন লোকজন ও উৎস থেকে তথ্য পেয়ে থাকি। আমরা যে খবরা খবর পেয়ে থাকি এগুলো হচ্ছে তথ্য। তথ্য দিয়ে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে উপাত্ত।কোন তথ্য বা ঘটনাকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করাকে পরিসংখ্যানে উপাত্ত বলা হয়। 

কোন একটি সরকারি অফিসে ২৫ জন লোক চাকরি করে যাদের বয়স (বছর) হলোঃ

২৭,২৯,৪২,৫৭,৩০,৫৫,৪১,২৯,৫১,৪০,৩২,২৭,৪১,২৯,২৯,৪২,৫৭,৩০,৫৫,৪১,৫৫,২৮,৪৩,৫১,৫০ সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশিত এই বয়স সমূহ পরিসংখ্যানের উপাত্ত।


তথ্য সংগ্রহ করার ধরন অনুযায়ী উপাত্তসমূহ দুই ধরনের হয়।যথাঃ

১।প্রাথমিক উপাত্ত বা সরাসরি উপাত্ত বা প্রত্যক্ষ উপাত্ত(Primary Data/Direct Data):যখন কোন উপাত্ত বর্ণনাকারী দ্বারা সরাসরি সংগ্রহ করা হয় তখন তাকে প্রাথমিক উপাত্ত বা প্রত্যক্ষ উপাত্ত বলে।কোন শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের বয়স জানার জন্য যদি শিক্ষক সরাসরি ক্লাসে গিয়ে বয়স সংগ্রহ করে তখন সেটি প্রাথমিক উপাত্ত। প্রাথমিক উপাত্ত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপাত্ত কারণ এটি উৎস থেকে সরাসরি সংগ্রহ করা হয়।

২।মাধ্যমিক উপাত্ত বা পরোক্ষ উপাত্ত(Secondary Data/Indirect Data):যখন কোন উপাত্ত বর্ণনাকারী সরাসরি সংগ্রহ না করে কোন মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে তখন তাকে মাধ্যমিক বা পরোক্ষ উপাত্ত বলে।যেমনঃ কোথাও কোন একটি ঘটনা ঘটলে সেই ঘটনা যদি আমরা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পারি তখন সেটি একটি মাধ্যমিক বা পরোক্ষ উপাত্ত।এ ধরনের উপাত্ত বর্ণনাকারী সরাসরি সংগ্রহ করতে পারেনা। তাই মাধ্যমিক উপাত্তের নির্ভরযোগ্যতা কম। 


আবার উপাত্তকে সাজানোর(উর্ধ্বক্রম/অধঃক্রম) উপর ভিত্তি করে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।যথাঃ 

 ১।বিন্যস্ত উপাত্ত বা সাজানো উপাত্ত বা শ্রেণিবদ্ধ উপাত্ত(Organized/Grouped Data):এই ধরনের উপাত্তসমূহ মানের উর্ধ্বক্রম অথবা অধঃক্রম অনুসারে সাজানো থাকে। যেমনঃ ১১,১৮, ২১, ২২, ২৯, ৩০, ৩৫,৫০,৬১। 

২।অবিন্যস্ত উপাত্ত বা এলোমেলো উপাত্ত(Unorganized Data/Ungrouped):এই ধরনের উপাত্ত সমূহ সাজানো থাকে না অর্থাৎ এলোমেলো ভাবে থাকে। যেমনঃ ১৮,১৭,২১,১২,৫২,১৯,২৮, ২৩,১৫। 


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অনুপাত ও সমানুপাত(Ratio and Proportion)

ত্রিভুজ(Triangle)